জিরাফের মুগ্ধতা অথবা একটি পোলিটিক্যাল বিবৃতি

নীলাব্জ চক্রবর্তী


à§§
যেন এর সবকটা লাইনই আগে লেখা হয়ে গ্যাছে। এমনকি, তারপর একটা রেট্রো প্রান্তরেঠভেতর অপেক্ষা করতে থাকা ধূসর দস্তানায় এভাবে ভোর হওয়াটুকুও ... স – ঋ – জ্ঞ – হ্ম – প – দ – ণ – স ... যদিও, অপেক্ষার সাথে ভোরের সম্পর্ক পূর্বনির্ঠিষ্ট একটি অস্বচ্ছ ধারণামাত্র । যেন, কোথাও ফুটে উঠছে আমাদের ফাঁপা পরিচয়লিপি। স্নব মানুষেরা খবরের কাগজ ছিঁড়তে ছিঁড়তে ফিরে আসতে পারছেনা কবিতায় ... সাদা স্ক্রিন জুড়ে লেখা নো ম্যান’স ল্যাণ্ড ... ক্যামেরার ভেতর তাকাও। বলো, হ্যালোওও< /strong> ...

অধীত মৌনতাগুলো
ক্যামোন ফোটোজেনিক হয়ে যাচ্ছে
জন্মদিনের কাছাকাছি
পোজ দিচ্ছে
আর
মাড় দেওয়া ভাষার কথা লিখতে লিখতে
ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে
একটা নো-রিটার্ন ভালভ ...


২

দেখলাম, ক্রয়ক্ষমতঠ¾ শব্দটা আমায় অনেকদূর অবধি হাঁটিয়ে নিয়ে গ্যালো। ক্লোজআপ থেকে লংশটের চেয়েও দূর। পাইনঅ্যাপঠ² কেক। স্মৃতির ভেতর কোনও গাড়িবারানৠদা নেই... তুষারপাত নেই... এরকম তর্কযোগ্য একটা পিনকোড, একটা সমাধানের দিকে ধীরে চলে যাবে আমাদের জন্মদিনগুঠো, ভাবি। ফরফর করবে একসাথে অনেকগুলো স্যালারি স্লিপ গোছা। দ্যাখো, তারিখের আদলে, আমরা, কতোটা বর্ণাশ্রম বানিয়েছি আসলে...

ওখানে ভোটার নেই
খিদে পেলে
ইন্টারভ্যঠলে হরফ চিবিয়ে নেবো আমরা
আর শুনবো
বেঁটে জানলায়
দানা দানা দৃশ্য
এখন আমাকে লিখছে না
তবু
মাইল মাইল কাঁটাতারে
কারা মানতের লিরিক বেঁধে দিয়ে গ্যাছে
প্রস্তাবিত নো ম্যান’স ল্যাণ্ড জুড়ে
ছায়ায় বিজবিজ করছে
ফেলে দেওয়া বাহারী ক্রিয়াপদ

হাত তোলো
ওই শব্দের একটাও তোমার নয় ...


à§©

নির্লিপ্তি , আসলে, একটা লালিত অভ্যাস। কোনও একদিনের সেমিনার রুম। যেখানে কালার কোড উচ্চারণ করলে ঝরে যাচ্ছে পালিশের মনোযোগ অক্ষ। দিনের যে উপবৃত্তাকঠ¾à¦° অংশ আমরা ঘষে ঘষে ক্রমাগত খসখসে আর পুরু করে চলেছি, তার কথা ভাবি... আরও ভাবি, তোমার বইগুলো আর তুমি – এ দু’টো আসলে এক নয়।

অতঃপর তিনি কব্জি ও শিরা স্ফীত করিয়া উক্ত গানটিকে তার স্বরলিপি সমেত কোম্পানি আইন মোতাবেক বিধিসম্মতভ াবে অধিগ্রহণ করিয়া সম্পূর্ণরৠপে ভোগদখল করিতে উদ্যত হওয়া মনস্থ করিলেন...

কোষ ফাটিয়ে বেরিয়ে আসছে
সবুজ মেয়েদের দেরাজ ও রুলটানা আস্তিন
আস্তে আস্তে লাল হয়ে যাওয়া জ্বরের স্যালাড
হাত নাড়তে নাড়তে
সিনেমার রীলের ভেতর চলে যাচ্ছে...